ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশকে ৮ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছে।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো এবং টহল বৃদ্ধি করা। ২. আবাসিক হোটেল এবং বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধী ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। ৩. অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অস্বাভাবিক ভাড়া আদায় বন্ধ রাখা। ৪. কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে সকল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা। ৫. ঈদের আগের এবং পরের তিন দিন পণ্যবহনকারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা। ৬. মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা। ৭. ট্রাফিক সিস্টেম, বিশেষ করে পদ্মা সেতু এবং যমুনা সেতুতে দ্রুত টোল আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৮. লঞ্চ এবং বাসে অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী পরিবহন রোধে পুলিশকে সতর্ক থাকা।
এই নির্দেশনাগুলোর লক্ষ্য হল ঈদের সময় দেশের সকল সড়ক, শহর এবং গ্রাম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে পুলিশ বাহিনীকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে। তারা বিশেষভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে তৎপর থাকবে।
এছাড়া, গার্মেন্টস এবং অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যে, ঈদের আগে শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দিতে যেন কোনো সমস্যা না হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিরও পুনঃনিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব সদস্যকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে ঈদযাত্রা সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সামাজিক অস্থিরতা এড়াতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।